দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দরে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
চার দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আবারও কমানো হলো। এর আগে ৯ অক্টোবর ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ভ্যাটসহ এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সেই দাম কমে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায় নেমেছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম কমেছে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। ফলে এই মানের স্বর্ণের গহনা কিনতে এখন ভ্যাটসহ খরচ হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা।
এদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমানো হয়েছে। এই মানের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা। ফলে বিভিন্ন মানের স্বর্ণের গহনা কিনতে আগের তুলনায় কিছুটা কম অর্থ ব্যয় করতে হবে ক্রেতাদের।
এর আগে ৯ অক্টোবর দাম বাড়ানোর পর ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম হয়েছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। ১৩ অক্টোবর সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এসব দাম কার্যকর ছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৯৬৬ টাকা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬২৪ টাকা করা হয়েছে।
স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম কার্যকর হওয়ায় গহনা কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য বাজারে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হতে পারে। তবে গহনা কেনার সময় নির্ধারিত মূল্যের পাশাপাশি মজুরি ও প্রযোজ্য অন্যান্য খরচ সম্পর্কে দোকান থেকে নিশ্চিত হওয়া উচিত। সর্বশেষ দর জানতে বাজুসের আনুষ্ঠানিক মূল্যতালিকা যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন