নাগোয়ায় নারীদের ৪৯ কেজি ভারোত্তোলন বিভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে উত্তর কোরিয়াকে এশিয়ান গেমসের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন রি সং গুম। একই ইভেন্টে তিনটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে নিজের নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়।
এই সাফল্যের মাধ্যমে টানা তিনটি এশিয়ান গেমসে সোনা জেতা ভারোত্তোলকদের বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন রি। এর আগে জাকার্তা ও হাংজু এশিয়ান গেমসেও সোনা জিতেছিলেন তিনি। ফলে এবারের সাফল্য তাঁর ধারাবাহিকতার আরেকটি বড় প্রমাণ হয়ে থাকল।
স্ন্যাচ বিভাগেই প্রথম বিশ্বরেকর্ডটি গড়েন রি সং গুম। ৯৪ কেজি ওজন তুলে আগের ৯৩ কেজির রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগেও দেখান দুর্দান্ত পারফরম্যান্স।
ক্লিন অ্যান্ড জার্কে প্রথমে ১১৬ কেজি ওজন তুলে বিশ্বরেকর্ড ভাঙেন রি। এরপর নিজের রেকর্ড আরও উন্নত করতে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ১২১ কেজি ওজন তোলেন। এভাবে একই বিভাগে দুইবার বিশ্বরেকর্ড ভাঙেন তিনি।
দুই বিভাগ মিলিয়ে রি সং গুমের মোট উত্তোলন দাঁড়ায় ২১৫ কেজি। এই পারফরম্যান্সে আগের মোট ওজনের বিশ্বরেকর্ড সাত কেজি ব্যবধানে পেছনে ফেলেন উত্তর কোরিয়ার এই ভারোত্তোলক।
এদিকে ভারতের মীরাবাই চানু তৃতীয় প্রচেষ্টায় এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের সাফল্য পান। স্ন্যাচে ৮৭ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১১ কেজি মিলিয়ে মোট ১৯৮ কেজি ওজন তুলে রৌপ্যপদক জেতেন তিনি।
ইন্দোনেশিয়ার দিয়ানা ত্রি উইজায়ানা মোট ১৯১ কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেন। স্ন্যাচে ৮৮ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০৩ কেজি ওজন তোলেন তিনি।
এশিয়ান গেমসের ভারোত্তোলনে টানা তিনটি সোনা জেতা চতুর্থ ভারোত্তোলক এবং প্রথম নারী ভারোত্তোলক হিসেবে রি সং গুম নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন। তাঁর আগে এই কীর্তি ছিল ইরানের মোহাম্মদ নাসিরি, দক্ষিণ কোরিয়ার কিম তায়ে হিউন এবং ইরানের বেহদাদ সালিমির দখলে।
তবে এখন পর্যন্ত এশিয়ান গেমসের ভারোত্তোলনে কেউ টানা চারটি সোনা জিততে পারেননি। ফলে রি সং গুমের সামনে এখন নতুন একটি মাইলফলকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।


মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন