হ্যাপিলি ম্যারিড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার শুরু হয়েছিল আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলের একটি ছবি ঘিরে। ছবিতে কেয়া পায়েলকে আলিঙ্গন করে শুভর সঙ্গে লেখা ছিল, ‘হ্যাপিলি ম্যারিড উইথ কেয়া পায়েল’। তবে বাস্তবে তাদের বিয়ে হয়নি। এটি ছিল নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার অংশ।
৮ অক্টোবর থেকে চরকিতে দেখা যাচ্ছে জাহিদ প্রীতম পরিচালিত ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। গল্পে বিয়ের পরের জীবনে প্রবেশ করা এক দম্পতির সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।
প্রেমের সময়ের রোমান্টিক মুহূর্তের সঙ্গে যখন একসঙ্গে থাকার বাস্তবতা যুক্ত হয়, তখন সম্পর্কের সমীকরণ কীভাবে বদলে যায়, সেটিই গল্পের অন্যতম বিষয়। ছোটখাটো সন্দেহ, অভিমান ও ভুল বোঝাবুঝির পাশাপাশি গল্পে থাকছে ভালোবাসা, যত্ন এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টা।
গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। আরিফিন শুভর সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম কাজ। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সম্পর্কের বাস্তবতা থেকেই ওয়েব ফিল্মটির গল্পের ভাবনা এসেছে। ফলে রোমান্সের পাশাপাশি দর্শক পরিচিত কিছু দাম্পত্য মুহূর্তও দেখতে পাবেন।
‘উনিশ২০’-এর পর চরকিতে নতুন কাজ নিয়ে ফিরেছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ কেয়া পায়েলের প্রথম ওটিটি কাজ। দুই অভিনয়শিল্পী ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু, তুষার খান, দীপা খন্দকারসহ আরও অনেকে।
ছবিয়ালের প্রযোজনায় নির্মিত ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ হলো ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সপ্তম সিনেমা। বাস্তবে নয়, পর্দায় স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাচ্ছে আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলকে। এখন দর্শকের আগ্রহ, তাদের পর্দার এই দাম্পত্য গল্প কতটা মন ছুঁতে পারে।



মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন